ফারহান একাডেমি : ফারহান আহমেদ স্যার
সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন :
ক) পতঙ্গ জাতীয় প্রাণীর দুইটি বৈশিষ্ট্য লিখি?
উত্তরঃ পতঙ্গ জাতীয় প্রাণীর বৈশিষ্ট্যগুলি সাধারণত এরকম:
১) দেহ তিনটি ভাগে বিভক্ত: পতঙ্গের দেহ তিনটি ভাগে বিভক্ত মাথা, বুক এবং পেট।
২) ছয়টি পা থাকে: পতঙ্গের ছয়টি পা থাকে, যা বুকের অংশে অবস্থিত।
খ) উভচর প্রাণীদের দেহ কী ধরনের হয় তা লিখি?
উত্তরঃ উভচর প্রাণীদের দেহ নরম এবং মন্ত্র হয়। তাদের চারটি পা থাকে, তারা পানি ও স্থলে দুই জায়গাতেই থাকতে পারে।
গ) প্রাণীরা পা দিয়ে কী কী কাজ করে তা লিখি?
উত্তরঃ প্রাণীরা পা দিয়ে বিভিন্ন কাজ করে, নিচে কিছু সাধারণ কাজের উদাহরণ দেওয়া হলো:
১) চলাফেরা: প্রাণীরা পা দিয়ে চলাফেরা করে,
২) লাফানো: কিছু প্রাণী, যেমন উটপাখি এবং ব্যাঙ, পা ব্যবহার করে লাফ দেয়।
৩).জলের মধ্যে সাঁতার: মাছ এবং অন্যান্য জলজ প্রাণী পা বা পাখনার মাধ্যমে সাঁতার কাটে।
ঘ) উভচর জাতীয় প্রাণীর তিনটি বৈশিষ্ট্য লিখ?
উত্তরঃ উভচর জাতীয় প্রাণীর তিনটি বৈশিষ্ট্য নিন্মে দেয়া হলঃ
১)এরা জল ও স্থল উভয় জায়গায় চলাচল করতে পারে।
২)ডিম পানিতে পারে।
৩)এরা সাধারণত লাফিয়ে চলাচল করে।
✓ উদাহরণঃ ব্যাঙ, কোয়ালা, ওপোসাম, ইত্যাদি।
বর্ননামূলক:
ক) তিমিকে স্তন্যপায়ী প্রাণী কেন বলা হয়?
উত্তরঃ তিমিকে স্তন্যপায়ী প্রাণী বলা হয় কারণ:
> মায়ের দুধ খাওয়ানো: তিমির মায়ের স্তন থেকে বাচ্চারা দুধ পান করে, যা স্তন্যপায়ী প্রাণীদের অন্যতম বৈশিষ্ট্য।
বাচ্চা জন্ম দেওয়া: তিমি ডিম পাড়ে না, বরং বাচ্চা গর্ভে ধারণ করে এবং জীবিত বাচ্চা জন্ম দেয়।
> শরীরের গঠন: তিমির শরীরে স্তন্যপায়ী প্রাণীদের মতো কিছু অঙ্গপ্রত্যঙ্গ (যেমন হাড়ের গঠন এবং রক্ত চলাচল) থাকে।
> শ্বাস নেওয়ার পদ্ধতি: তিমি শ্বাস নেয় শ্বাসযন্ত্র দিয়ে, যা স্তন্যপায়ী প্রাণীদের মতো।
৪। খ) মেরুদন্ডী ও অমেরুদন্ডী প্রাণীর মধ্যে চারটি পার্থক্য লিখ।
উত্তরঃ মেরুদন্ডী ও অমেরুদন্ডী প্রাণীর মধ্যে চারটি প্রধান পার্থক্য:
